শুরুর আগেই আবারও শঙ্কায় টোকিও অলিম্পিক

অলিম্পিক শুরুর আগেই অ্যাথলেটসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কোভিড শনাক্ত হয়েছে ৬০ জনের।অলিম্পিক ভিলেজে তাঁদের থাকতে হবে দুই সপ্তাহের আইসোলেশনে।কোভিড শনাক্তকারীদের সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তিদের রাখা হয়েছে আইসোলেশনে।

১৯৬৪ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো অলিম্পিক আয়োজক টোকিও।অলিম্পিক এর মতো মহাযজ্ঞের আয়োজন যেখানে গৌরব ও আকাঙ্ক্ষিত। সেখানে বারবার বিপাকেই পড়তে হচ্ছে টোকিওকে।

বিশ্বের দুই শতাধিক দেশ থেকে প্রায় ১১ হাজার অ্যাথলেট এবার অংশ নিচ্ছে টোকিও অলিম্পিকে।এরই মধ্যে অলিম্পিক ভিলেজে হানা দিয়েছে করোনা। সাউথ আফ্রিকা পুরুষ ফুটবল টিমের ২জন খেলোয়াড় এবং কোচ আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন অ্যাথলেট এবং সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ৬০ জন।

২৩ জুলাই শুরু হতে যাওয়া অলিম্পিক আয়োজনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মুখোর হয়েছে টোকিওবাসী। গত ১ সপ্তাহে প্রতিদিনই হাজারের উপর মানুষ আক্রান্ত হয়েছে করোনাভাইরাসে।বিশেষ করে বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে ভেক্সিনের আওতায় না এনে অলিম্পিক আয়োজন নিজেদের জন্য এক মহাবিপর্যয় ডেকে আনবে বলেই মনে করেন আন্দোলনকারীরা।জাপানের তরুণ জনপ্রিয় গায়ক কাযুয়ো এ আন্দোলনকে সমর্থন করে বলেন, “আমি মনে করি না যে জাপানের বাইরের লোকেরা জানেন যে এই পুরো মহামারীটি কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে।আমাদের অলিম্পিক বাতিল করা উচিত।” 

এদিকে অলিম্পিককে সামনে রেখে ১৫.৪ বিলিয়ন ডলার খরচ করা জাপান এই আয়োজন আবারও পেছাতে নারাজ।ভেক্সিন কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনার ঘাটতি শিকার করে টোকিওর গভর্নর ইউরিকো কইকে বলেন, “অলিম্পিক হতেই হবে।এটা ঠিক যদি আমরা আমাদের ভেক্সিন কার্যক্রম আরো দ্রুততার সাথে করতে পারতাম তাহলে দৃশ্যপট অনেক ভালো হতো।তবুও আমরা বিশ্ববাসীদের একটি ডাইনামিক এবং অসাধারণ অলিম্পিক উপহার দিতে চাই।”

টোকিওতে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় দশর্কবিহীন মাঠেই অলিম্পিক আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আয়োজক কমিটি।তবে টোকিও’র বাইরে যেসব জায়গায় করোনার প্রভাব কম সেখানে ৫০ শতাংশ দর্শক মাঠে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হতে পারে। তবে প্রশ্ন থেকেই যায় করোনা পরিস্থিতির এই ভয়াল সময়ে কতটুকু আলো ছড়াতে পারবে “গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ” খ্যাত অলিম্পিক।

 

আপনার মন্তব্য জানাবেন

দয়া করে আপনার মন্তব্য লিখুন !
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন