ইভ্যালি নিয়ে দুদকের অনুসন্ধান, সকল চ্যালেঞ্জ এবং অগ্রগতির আপডেট দিতে লাইভে আসছেন ইভ্যালির সিইও

দেশের অন্যতম শীর্ষ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সিইও বর্তমান সকল চ্যালেঞ্জ এবং অগ্রগতি নিয়ে কথা বলতে লাইভে আসছেন শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর)। এদিকে ইভ্যালির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে।

আরো পড়ুনঃ “বেঁচে থাকলে ২০২৫ সালের মধ্যে ইভ্যালি হবে দেশের সবচেয়ে বড় ইন্ডাস্ট্রি”- লাইভে ইভ্যালির সিইও। 

আরো পড়ুনঃ মানি হাইস্ট সিজন ৫ দেখতে আইটি কোম্পানির ছুটির ঘোষণা! মুক্তি পাচ্ছে আজ।

ইভ্যালির সিইও মোহাম্মদ রাসেল ফেসবুক বিবৃতিতে জানান,

“আগামী শনিবার লাইভে এসে বিগত এক মাসের অগ্রগতি, ভবিষ্যতে পরিকল্পনা এবং বর্তমান চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলব।আমার শুরু থেকেই একটি বিশ্বাস যেহেতু ইভ্যালির একটি শক্তিশালী ইকমার্স প্রতিষ্ঠান, সময় পেলে সকল সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম। আমরা বেশ কিছু ক্ষেত্রেই আমাদের পরিকল্পনা মতই এগিয়েছি। আশা করি সময়ের মধ্যেই সব সফল করতে পারব।আমরা আগামী ৫ মাসের মাঝেই সকল অর্ডার ডেলিভারি করব ইনশাল্লাহ।শনিবার রাত ১১টায় লাইভ।”

20210902 182516 copy 700x500
ইভ্যালির সিইও মোহাম্মদ রাসেলের ফেসবুক বিবৃতি।

আরো পড়ুনঃ “সুযোগ দেওয়ার আগে আমাদের ব্যর্থ বললে গতি বাড়াতে পারব না, ব্যর্থ হলেও আমাকে পাবেন ভবিষ্যতে” – ইভ্যালির সিইও

এদিকে গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া অগ্রিম ও মার্চেন্টের পাওনা প্রায় ৩৩৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা ‘আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে’ ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ইভ্যালির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে।

20210902 184811
দুদক সচিব ড. মো. আনোয়ার হোসেন।

বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুদক কার্যালয়ে দুদক সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন,

“ইভ্যালি নিয়ে বিভিন্ন সংস্থা তদন্ত করছে, আমাদের কাছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চিঠি দিয়েছে। ইভ্যালির যে বিষয়গুলো আমাদের এখতিয়ারে আছে, আমরা সেটা নিয়ে কাজ করবো। সেক্ষেত্রে কাজ এখনো এনকোয়ারি স্টেজে প্রাথমিকভাবে চলছে। এ বিষয়ে কমিশনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো অবস্থা হয়নি। প্রাথমিক তদন্ত চলছে। অন্য যে সংস্থাগুলো কাজ করছে তাদের যে ফাইন্ডিংস, সেগুলো আমাদের দেখার জন্য লাগতে পারে বলে জানান তিনি।”

 

তিনি আরো যোগ করে বলেন,

“প্রাথমিক অনুসন্ধানের কার্যক্রম চলছে। এরই মধ্যে তথ্য-উপাত্ত চেয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চিঠি দিয়েছে অনুসন্ধান টিম।

ইভ্যালি নিয়ে শুধু আমরা কাজ করছি না। অন্যান্য সংস্থাও কাজ করছে। এক্ষেত্রে অন্যান্য সংস্থার তদন্তের অগ্রগতি বা তারা যে পদক্ষেপ নেবে, সেগুলোও আমরা অনুসন্ধানের স্বার্থে আমলে নেব। মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত অপরাধ কিংবা জনগণ বা রাষ্ট্রের অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি কতটুকু হয়েছে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আমাদের নিজস্ব অনুসন্ধান এখনো চলমান বলেও জানান তিনি।”

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ই-কমার্সের বাজার এখন অস্থিতিশীল। নানামুখী অভিযোগ এবং গ্রাহকদের নাভিশ্বাস এই সম্ভাবনাময় খাতকে আরো বিতর্কিত করে তুলেছে।

আপনার মন্তব্য জানাবেন

দয়া করে আপনার মন্তব্য লিখুন !
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন