বুধবার, মে ১৮, ২০২২

BPL ফাইনালে টিকিটের জন্য হাহাকার, চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৪ লাখ টাকার ট্রফি।

১৮ তারিখ ফাইনালের মধ্যদিয়ে পর্দা নামছে বিপিএল এর নবম আসরের। এবারের BPL ফাইনালের ট্রফি বানাতে খরচ করা হয়েছে ৪ লাখ টাকা। এর সাথে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ১ কোটি টাকা। রানার্স আপ দল পাবে ৫০ লাখ টাকা। টুর্নামেন্ট সেরা দল পাবে ২ হাজার ডলার। অন্যদিকে ম্যান অফ দি ফাইনাল পাবেন ১ হাজার ডলার।

চলতি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ক্রিকেটের আসরে প্লে-অফ পর্ব থেকে শর্তসাপেক্ষে দর্শক প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে আয়োজকরা। দুই কোয়ালিফায়ার ও একমাত্র এলিমিনেটর ম্যাচে মাঠে দেখা গেছে দর্শকদের সরব উপস্থিতি। তবে আগের সব দিনকে ছাপিয়ে গেছে আজকের (শুক্রবার) ফাইনাল।

ফরচুন বরিশাল ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের মধ্যকার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ দেখতে শুক্রবার দুপুরের পরপরই মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম যেন পরিণত হয়েছে জনসমুদ্রে। কিন্তু ফাইনালের জন্য টিকিট ছাপানো হয়েছে মাত্র ৪ হাজার। সেগুলোও সাধারণ দর্শকদের কাছে সরাসরি বিক্রির জন্য নয়।

ফাইনালে অংশগ্রহণকারী দুই ফ্র্যাঞ্চাইজির চাহিদার ভিত্তিতে ছাপানো হয়েছে এসব টিকিট এবং তাদের হাতেই দিয়ে দেওয়া হয়েছে টিকিটগুলো। নিজেদের সমর্থিত দর্শকদের কাছে সেসব টিকিট বন্টনের কথা দুই ফ্র্যাঞ্চাইজির। কিন্তু ফাইনাল শুরুর আগে সরেজমিনে দেখা গেলো পুরোপুরি ভিন্ন চিত্র।

১০০০ তম ODI খেলবে ভারত, সর্বনিম্ন সংখ্যক ODI খেলেছে বাংলাদেশ।

সব টিকিট ফ্র্যাঞ্চাইজির হাত ঘুরে দর্শকদের হাতে যাওয়ার কথা থাকলেও, অনেক টিকিটই ঘুরছে কালোবাজারিদের হাতে। যেগুলো বিক্রির জন্য দাম হাঁকানো হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত। সেই কালোবাজারির দাবি, বিসিবি থেকেই টিকিটগুলো কিনেছেন তিনি। যা বিক্রি করে অল্প কিছু লাভ করছেন তিনি।

ফাইনাল দেখতে জুমার নামাজের পরপরই স্টেডিয়ামে চলে আসা এক দর্শক বললেন, ‘খবরে শুনেছি ফাইনালে দর্শক ঢুকতে দেবে; কিন্তু এখানে এসে টিকিট কেনার কোনো বুথ পাচ্ছি না। তবে কিছুক্ষণ পর দেখতে পেলাম এক লোক হাতে হাতে টিকিট বিক্রি করছেন। কিন্তু দাম অনেক।’

লোগো কেলেঙ্কারিতেও এগিয়ে এবারের BPL

সেই দর্শকের মতো টিকিটবিহীন অবস্থায় স্টেডিয়ামের আশপাশে ঘুরছেন আরও কয়েক হাজার দর্শক। ঘুরে দেখা যায়, শুধুমাত্র ভিআইপি (দুই নং গেট) বাদ দিয়ে স্টেডিয়ামের প্রতিটি গেটের সামনেই দেখা গেছে আগ্রহী দর্শকদের জটলা। কিন্তু টিকিট না থাকায় তাদের বেশিরভাগই ঢুকতে পারেননি মাঠে।

এর মাঝেই আবার দল বেঁধে আসতে দেখা যায় কুমিল্লা ও বরিশালের জার্সি পরা অনেককে। তাদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছ থেকেই টিকিট পেয়েছেন তারা। তবে সময়ের অভাবে সেই টিকিট পাওয়ার প্রক্রিয়াটি কেমন ছিল সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।

কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর দেখা মেলে এক টিকিট বিক্রেতার। যিনি আদতে একজন কালোবাজারি। নাম না ছাপানোর শর্তে তিনি বলেন, ‘বিসিবি থেকে টিকিটগুলা কিনেছি। অল্প কিছু লাভের আশায় বিক্রি করছি। আমারও কিছু লাভ হলো, দর্শকরা খেলাও দেখলো। যেহেতু টিকিট ছাড়া হয়নি তাই আমরাই এখন ভরসা সাধারণ দর্শকদের জন্য।’

এদিকে স্টেডিয়ামের ভেতরে ম্যাচ শুরু হতেই দেখা মেলে অন্তত হাজার চারেক দর্শকদের উপস্থিতি। ইস্টার্ন, সাউদার্ন, নর্দার্ন, শহীদ জুয়েল, শহীদ মুশতাক এবং গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের ওপরের তলায় বসেছেন এসব দর্শকরা। প্লে-অফের আগের তিন ম্যাচের মতো আজও স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই মাঠে উপস্থিত দর্শকদের মাঝে।

Similar Articles

Comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Advertismentspot_img

Instagram

Most Popular