পেগাসাস স্পাইওয়্যার নিয়ে কেন এতো হৈচৈ?

পেগাসাস একটি গুপ্তচর সফটওয়্যার।এটির নির্মাতা ইজ

রায়েলি প্রতিষ্ঠান এনএসও গ্রুপ

পেগাসাস ব্যবহারকারীর অজান্তেই টেক্সট বার্তা পড়া, কল ট্র্যাকিং, পাসওয়ার্ড সংগ্রহ, ফোন অবস্থান ট্রেসিং, এবং অ্যাপ্লিকেশন থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম। কোনো ব্যক্তির স্মার্টফোনে একবার এই স্পাইওয়্যার ঢুকলে ছবি, ই-মেইল, কল রেকর্ড, ফোনে সংরক্ষিত যাবতীয় নম্বর হাতিয়ে নেওয়া যায়। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপ, সিগন্যালের মতো এনক্রিপটেড অ্যাপে আদান-প্রদান করা বার্তাও নজরদারির আওতায় চলে যায়।

ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বড় সংবাদ সংস্থার সাংবাদিকদের পাশাপাশি, ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধি এবং ভোটকৌশলী প্রশান্ত কিশোর সহ আরও অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা এর শিকার হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাহায্যে প্যারিসের একটি সংবাদ সংস্থা পঞ্চাশ হাজারেরও বেশি ফোন নম্বর সনাক্ত করেছে। যার মধ্যে ৫০টি দেশের ১০০০টিরও বেশি ব্যক্তির নম্বর খুঁজে পাওয়া গিয়েছে, যেগুলি পেগাসাস স্পাইওয়্যার দ্বারা আক্রান্ত।

এই পরিপ্রেক্ষিতে নির্মাতা সংস্থা এনএসও বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, “এনএসও একটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা। আমরা এই সিস্টেমটা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে চালাই না। গ্রাহকদের তথ্যের নিয়ন্ত্রণও আমাদের হাতে নেই। তা সত্ত্বেও তদন্তের স্বার্থে তাঁরা আমাদের তথ্য দিতে বাধ্য। এই সফটওয়্যার অপব্যবহারের কোনও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ পেলে আমরা তা খতিয়ে দেখব। প্রয়োজন পড়লে এর ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়া হবে।”
ব্যক্তি পর্যায়ে কাউকে এই সফটওয়্যার সরবরাহ করা হয় না বলে জানিয়েছে এনএসও।একই সাথে সংস্থাটির দাবি, “এই সফটওয়্যারটি প্রযুক্তির সাথে অনুমোদিত সরকারগুলিকে সরবরাহ করে যা তাদেরকে সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তা করে”।

 

আপনার মন্তব্য জানাবেন

দয়া করে আপনার মন্তব্য লিখুন !
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন